Md. Afzal Hossain Vs. Government of Bangladesh and others, 2 LNJ (2013) 111

Case No: Writ Petition No. 149 of 2012

Judge: Hasan Foez Siddique,

Court: High Court Division,,

Advocate: Abdul Awal,Mr. Aminul Hoque,Mr. Manzill Murshid,Mr. Jamiruddin Sirker,Mr. Yusuf Hossain Humayun,,

Citation: 2 LNJ (2013) 111

Case Year: 2013

Appellant: Md. Afzal Hossain

Respondent: Government of Bangladesh and others

Subject: Local Government,

Delivery Date: 2012-11-07

HIGH COURT DIVISION
(SPECIAL ORIGINAL JURISDICTION)
 
Hasan Foez Siddique, J.
         And
Zafar Ahmed, J.

Judgment
07.11.2012
  Md. Afzal Hossain
...Petitioner.
Vs.
Government of Bangladesh and others.
...Respondents. 
 

Constitution of Bangladesh, 1972
Article 102
Local Government (Municipality) Election Rules, 2010
Rule 39
After counting the ballot papers, the respondent No. 7 or any other contesting candidates did not take any steps to recount the ballots by filing any application before Presiding Officer of any of Polling Station which they would ordinarily have done if there was any truth in the pleas canvassed by the respondent No. 7 in his election petition and application for recounting of votes which was made after a lapse of seven months from counting of votes. In the absence of any evidence regarding improper counting of votes it is difficult to accept the finding of the tribunal that the factual foundation for inspection and recounting has been established satisfactorily. Court can safely ignore to take notice of allegation which is couched in vague and nebulous manner. The averments made in the petition and the materials brought on record by the respondent No. 7 did not at all proved. Both the tribunals acted unlawfully in passing the order of inspection and recounting of ballot papers.….(13, 23, 27, 30 & 31)

Muzaffar Hossain Vs. Md. Humayun Kabir and other reported in 15 BLD (AD) page 245; Motaleb Vs. Md. Mostaque Ali and others reported in 19 BLD (AD) page 156; V.S. Achuthanda Vs. P.J. Francis and another reported in AIR 2001 SC page 837; Abdul Latif Bepari Vs. Md. Nurul Islam Howlader reported in 20 BLD (AD)  page 264; Ansaruddin Ahmed Vs. Senior Assistant Judge and Election Tribunal  reported in 14 BLD (AD) 77; Ram Sewak Yadav and others Vs. Hussain Kamal Kedwai and others (AIR 1964 S.C.R. 239; Rajnarayon Vs. Indira Nehru Gandi  reported in AIR 1972 S.C. 1302; Suresh Prasad Yadav Vs. Jai Prakash Mishra and others reported in AIR 1975 S.C. 376; Dr. Mohiuddin Khan Alamgir Vs. Government of Bangladesh reported in 62 DLR (AD) 425, ref.   

Mr. Yousuf Hossain Humayun,
Mr. Manzill  Murshid,
Mr. Abdul Awal
---For the petitioner.

Mr. Jamiruddin Sircar,
Mr. Md. Aminul Hoque, Senior Advocates
Mr. Mvi. Mohammad Wahidullah,  Advocate
….For the respondents.

Writ Petition No. 149 of 2012
 
JUDGMENT
Hasan Foez Siddique, J:
 
This Rule Nisi was issued calling upon the respondents to show cause as to why the order dated 29.11.2011 passed by the Election Appellate Tribunal, Jhalukathi in Election App-eal No.06 of 2011 affirming the order dated 01.11.2011 passed by the Election Tribunal, Jhalukathi in Election Petition No.05 of 2011 should not be declared to have been made without lawful authority and are of no legal effect.
 
The relevant facts for the disposal of the Rule, in short, are that the petitioner, respond-ent No. 7 and some others contested in election for the post of Mayor of Jhalukathi Munici-pality held on 24.03.2011. The petitioner was declared elected defeating his nearest rival candidate, the respondent No.7. The respondent No.7 filed election petition before the Election Tribunal, Jhalukathi making following prayers: ‘‘(ক) ঝালকাঠী পৌরসভায় ইং২৪/০৩/২০১১ তারিখের পৌর নির্বাচনের ১নং বিবাদী প্রতিপক্ষ নামিক নির্বাচনী ফলাফল বাতিল পূর্বক তদসহলে অত্র বাদী দরখাস্তকারীকে  মেয়র পদে নির্বাচিত মর্মে  ঘোষনার আদেশ দিবার। (খ) মোকদ্দমার সম্যক খরচ বিবাদীগন প্রতি আদেশ দিবার। (গ) আইন ও ইক্যুইটির বিধান মতে বাদী দরখাস্তকারী আর যে, প্রতিকার পাইতে পারে তাহারা ও আদেশ দিবার।’’
 
The symbols of petitioner and respondent No.7 were “Pine appeal” and “Ship” respecti-vely. The  names of Polling Centres are : 1) Jhalukathi Government College, West Chandk-athi, 2) Bekona Government Primary School, Bekona, 3) Jhalukathi Government Women College, 4) Jhalukathi Government Boys High School, 5) Kutubnagar  Government Primary School, 6) Zilla Parishad Bhaban, Krishnaka-thi, Jhalukathi, 7) Upazila Parishad Milonay-aton (U.T.D.C. Hall), 8) Upazilla Parishad  Officers Club and Library, 9)  Municipal Ideal Government Primary school, 10) Shahi Model Government Primary school, 11) J.B.I. Union High School, Ishanil, 12) Basanda Government Primary School, 13) Kefayet Nagar Governme-nt  Primary School ( New building), 14) Kefay-etnagar Government Primary School (Old buil-ding), 15) Udbodhon Secondary School, 16) Syedunnessa Government Primary School, 17) Halima Moazzam Reg. Primary School and 18) City Kinder Garten Vote Centre.
 
In the election petition, the respondent No.7  brought allegation in the following manner:

‘‘স্থানীয় কতিপয় নেতৃবৃন্দ  ১নং  বিবাদী প্রতিপক্ষকে নিয়া কোন ভাবেই আগানো সম্ভব নহে উহা নিশ্চিত বুঝিতে  পারিয়া তাহারা নির্বাচনী কাজে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের  সহিত বে-আইনী যোগসাজসে থাকিয়া ঝালকাঠী  পৌরসভার  ইং ২৪/৩/২০১১ তারিখের নির্বাচনে বে-আইনী ও অবৈধ প্রভাব বিসত্মার করিয়া বিভিন্ন রকম কারসাজি করিয়া সকল ভোট কেন্দ্রে বিশেষভাবে সন্ত্রাসী তৎপরতা এবং অত্র পক্ষের এজেন্ট বা সমর্থক ভোটারদেরকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া অত্র পক্ষের সমর্থনীয় ভোটারদেরকে ভোট  কেন্দ্রে যাওযার ব্যাপারে বিলম্ব ঘটাইয়া এদের নামাকরনে জাল ভোট প্রদান করে। বিশেষ করিয়া নিম্মলিখিত ভোট কেন্দ্রে তাহাদের দখলীয় প্রভাব খাটাইয়া ১নং বিবাদী প্রতিপক্ষের আনারস মার্কায়  জাল  ভোট প্রদান করিতে সক্ষম হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য  যে, স্বাক্ষর  জ্ঞানহীন  ভোটারদের ব্যালট  পেপারের মুড়িতে  টিপ দেওয়ার বিধান থাকা স্বত্বেও স্ব স্ব প্রিজাইডিং অফিসার সহ  কেন্দ্রের  অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বে-আইনী ভাবে বাধ্য করিয়া স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন ভোটারদের টিপ নেওয়া হইয়াছে। স্বাক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন ভোটারদের টিপ নেওয়া উদ্দেশ্যেমূলক এবং ১নং বিবাদী প্রতিপক্ষের মার্কা আনারসে ভোট  সংখ্যা অন্যায়আবে বৃদ্ধি করায় কার্যাদি হয়। এইরুপ  বে-আইনী কার্যাদি করিয়া সকল  কেন্দ্রেই হইয়া থাকিলেও নিম্মলিখিত  ভোট  কেন্দ্রগুলোতে  বিশেষভাবে উক্তরুপ অন্যায় ও বে-আইনী কার্যাদি হইয়াছে। কেন্দ্রগুলো হলো- ১) উপজেলা পরিষদ (ইউ টিডিসি হল), ২) উপজেলা পরিষদ অফিসার্স ক্লাব  ও লাইব্রেরী, উপজেলা পরিষদ চত্বর, ৩) শাহী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝালকাঠী, ৪) জে,বি,আই, ইউনিয়ন হাইস্কুল, ইছানীল, ঝালকাঠী, ৫) বাসনডা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬)  কিফাইতনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (নতুন ভবন), ৭) কিফাইতনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় (পুরাতন দ্বিতল ভবন), ৮) হালিমা  মোয়াজ্জেম  রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯)  উদ্ধোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০) সিটি কিন্ডার গার্ডেন, ১১) সরকারী মহিলা কলেজ। ---উপরোক্ত ভোট কেন্দ্র গুলোতে ইস্যুকৃত ব্যালট পেপারের চেয়ে ভোট গণনাকালীন সময় ব্যালট পেপারের সংখ্যা অধিক হইয়াছে। তদুপরি প্রায় ভোট কেন্দ্রেই অত্র পক্ষের নিয়োগকৃত এজেন্টগনকে  ভোট গ্রহন ও গণনার সময নানা ধরনের হুমকির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাইয়া তাহাদেরকে সার্বক্ষনিকভাবে নির্বাচনী বুথে সহ গণনাকালীন সময় উপসিহত থাকিতে দেওয়া হয় নাই। ভোট গণনার সময় অত্র বাদী দরখাস্তকারীর জাহাজ মার্কায় ব্যালট ১নং- বিবাদী প্রতিপক্ষের আনারস মার্কায় ব্যালট বা  ভোট দিবার দেখাইয়া ১নং বিবাদী প্রতিপক্ষের সঠিক প্রাপ্ত  ভোটের  চেয়ে  বেশী  ভোট  দেখানো হইয়াছে-----১ নং বিবাদী প্রতিপক্ষের  চেয়ে  বাদীর  ‘‘জাহাজ মার্কা’’ প্রতীকে ৮,৭৯৭টি  ভোট বেশী প্রাপ্ত হইয়াছেন। যাহা পূণঃ গণনা করিলেই প্রমানিত হইবে এবং বাদী ঝালকাঠী পৌরসভার  মেয়র হিসাবে বিজয়ী  ঘোষিত হইবে।’’
 
The election petition was resisted by the present petitioner, the returned candidate.
 
On 26.10.2011 that is, after 7 months of holding election, the respondent No.7 filed an application before the Election Tribunal for recounting votes. The contents of that applica-tion run as follows:

‘‘উক্ত  নং  মোকদ্দমাটি উভয় পক্ষের স্যক্ষ্য জেরা সমাপ্ত হইয়া আগামী ৩০/১০/১১ তারিখ ধার্য আছে। তাহাতে ঝালকাঠি পৌরসভার গত ইং২৪/৩/১১ তারিখের নির্বাচনী ১৮টি ভোট  কেন্দ্রেই মেয়র পদে ভোট গণনায় কারচুপি হইয়াছে। যাহাতে নির্বাচনী ফলাফল সঠিকভাবে প্রস্তত হয়নি। অত্র বাদী  মেয়রপদে ১১,৮৬৪টি  ভোট এবং ১নং বিবাদী ৩,০৬৭টি  ভোট প্রাপ্ত হইয়াছেন মর্মে অত্র পক্ষ দাবী করিয়াছেন।  ভোট গণনার কারচুপি হওয়ায় বিষয় অত্র পক্ষ সাক্ষী  জেরার মাধ্যমে প্রমান করতে সক্ষম ইহয়াছে। অত্র পক্ষের আবেদনে বিজ্ঞ আদালতে ১৮টি  ভোট  কেন্দ্রের গৃহীত ভোটের ব্যালট তলব করিয়া আনিয়াছেন। বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে ভোট গণনায় আপত্তি নাই মর্মে ১নং বিবাদী বাদীর জেরায় প্রকাশ করিয়াছেন। মেয়র পদের ভোট গণনায় কারচুপি  করিয়া বাদীর জাহাজ মার্কা প্রতীকে মাত্র ৬,৩৩৭টি ভোট প্রাপ্ত দেখিয়াছেন। অত্র বাদী বর্তমান মোকদ্দমায় ১নং বিবাদীর নির্বাচনী ফলাফল বাতিল পূর্বক তাহাকে বিজয়ী মর্মে ঘোষনার প্রতিকারে বর্তমান মোকদ্দমা দায়ের করিয়াছেন। পৌরসভা নির্বাচন বিধি ২০১০ এর ৬২ বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক ভোট গণনা করিলেই বাদীর দাবীর সত্যতা  পমানিত হইবে। ১নং বিবাদী ইং ২৪/১০/১১ তারিখে দরখাস্ত দায়ের করিয়া বর্তমান মোকদ্দমাটি যুক্তিতর্ক শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারনের প্রার্থনা করিয়াছেন। এমতাবসহায় বর্তমান   মোকদ্দমাটি সুষ্ঠ ,নিস্পত্তি ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে যুক্তিতর্ক শুনানী পূ©র্ব  বিজ্ঞ আদালতে সংরক্ষিত ইং ২৪/৩/১১ তারিখে অনুষ্ঠিত  পৌর নির্বাচনের  ১৮টি  ভোট  কেন্দ্রের  মেয়র পদে ভোট গণনা করার আদেশ দেওয়া আবশ্যক। তদঅন্যথায় অত্র পক্ষের ক্ষতির করাণ হইবে।
      সেমতে প্রার্থনা বিজ্ঞ আদালত দয়া প্রকাশে প্রোক্ত কারণ সদয় বিবেচনা করতঃ ন্যায় বিচারের স্বার্থে বর্তমান মোকদ্দমার যুক্তিতর্ক শুনানীর পূর্বে বিগত ইং ২৪/৩/১১ তারিখের পৌর নির্বাচনে ১৮টি  ভোট  কেন্দ্রের মেয়র পদে ভোট গণনার আদেশ দানে সুবিচার করার মর্জি হন।’’

The Tribunal by his order dated 01.11. 2011 allowed the said prayer and decided to recount the votes of all the polling centres.

Against which the present petitioner preferred appeal before the Election Appellate Tribunal, who by his order dated 29.11.2011, dismissed the appeal and upheld the order of the Election Tribunal. Then this petitioner moved the application in this Court and obtained the present Rule.

Mr. Manzill Murshed, the learned Advoc-ate appearing on behalf of the petitioner, submits that the respondent No.7 in his evidence hopelessly failed to establish the foundation to reopen the ballot papers. He submits that subsequent after counting the votes the respondent No. 7 did not take any steps to recount the ballots by filing any application before the Presiding Officer or Returning officer. Mr. Abdul Awal, another learned Advocate for the petitioner, submits that the allegations brought by the respondent No.7 are quashi criminal in character so the allegations must be sufficiently clear and precise to bring home the charges to the candidates which are absolutely absent in this case. He submits that the respondent No.7 failed to produce trustworthy materials in support of the allegations made for a re-count enabling the Tribunal to record a satisfaction of a prima-facie case for re-opening the ballot bags.  He submits that the ballot is sacrosanct and the same can not be violated merely for asking on vague and indefinite allegations.

Mr. Jamiruddin Sircar, the learned Senior Counsel along with Mr. Md. Aminul Houqe, the learned Senior Counsel, and Mr. Moulovi Wahidullah, the learned Advocate, appearing on behalf of the respondent No. 7 submits that in his evidence the writ petitioner admitted that he has no objection to recount the votes.  He submits that the writ petition is not maint-ainable in view of the fact that the orders of the Tribunals are not coram non-judice or malice in law. He further submits that both the Tribunals below concurrently held that the respondent No.7 has been able to establish the factual foundations to reopen the ballot papers and there are adequate materials before the Tribunal to be satisfied that counting was not made properly. There is no error of law in the orders of the Tribunals which calls for any interference by this Writ Court. 

We have heard the learned Advocates for both the parties, perused the writ petition, affidavit-in-opposition filed on behalf of the respondent No.7, annexures and other materials on record.

Election for the post of Mayor of Jhalo-kati Municipality was held on 24.03.2011. The present petitioner, the respondent No.7 and others contested the said election. After counting the votes, the Returning Officer declared the result of the election. The petiti-oner obtained 8,096 votes and the respondent No.7 got 6,337 votes. The petitioner was declared elected as Mayor of Jhalukhati Municipality which was published in the official gazette. The respondent No.7 filed election  petition for declaration that he  is the elected Mayor of Jhalokathi Municipality  and result declaring the petitioner as Mayor is void.     The respondent no.7 adduced 10 witnes-ses in support of his case. On the other hand, the petitioner adduced 9 witnesses. At that stage, the respondent No.7 filed application for recounting the votes of all centres. The election Tribunal allowed that application. Election Appellate Tribunal affirmed that order.

An election enquiry is in nature of a quashi criminal trial. The standard required is rigorous.  The election petitioner is virtually in the position of a prosecutor. It is an elementary rule of law that the prosecution should make out its case by positive proof and not by mere conjecture. The election petition must contain a concise statement of material facts and must setforth full particulars of the corrupt practice. Since onus to prove corrupt practices lies entirely on the Election petitioner the material facts in regard to corrupt practices should be pleaded with exactitude and precision and like wise should be pleaded basic facts contributing the ingredients of that particular corrupt practice. Here election was held on 24.03.2011, Election Petition was filed on 18.04.2011. The respondent no.7 filed application for recounting of votes on 26.10.2011, that is, after 07 months of counting votes. There is specific provision in the law itself to recount the ballot papers. Rule 39(2) of the Local Government (Municipality) Election Rules, 2010 provided the   provisions of recounting of votes which run as follows:
৩৯(২) প্রিজাইডিং অফিসার নিম্মলিখিত ক্ষেত্রে পূণরায় ভোট গণনা করিতে পারিবেন-
(ক) প্রয়োজনে, স্বীয় উদ্দেগে; বা
(খ)  কোন প্রতিদ্বনদ্বী প্রার্থীর বা নির্বাচনী এজেন্টের বা পোলিং এজেন্টের সুনির্দিষ্ট লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে, যদি তাহার নিকট আবেদনটি যুক্তিযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হয়।’’
 
We do not find anything in the election petition or in the evidence or in the application for recounting the votes filed before the Election Tribunal that either the respondent No.7 or his Election agent or his polling agents made any prayer to the Presiding Officer for recounting votes. That provision has been enacted as statutory checks and effective safe-guards against trickery, mistakes and fraud in counting. The election petitioner cannot be permitted to make out a case for re-counting ballot papers on a ground for which there is no foundation laid by him.
 
The power vesting in the court seized of a election dispute to order for inspection and recount of the ballot papers has been subject matter  of several decisions of our Apex Court which have by authorities  exposition settled the law thereon.
 
In the case of Muzaffar Hossain Vs. Md. Humayun Kabir and other reported in 15 BLD (AD) page 245 their Lordships of the Appellate Division have observed :
“When no written prayer is made before the Presiding Officer for recounting of the ballot papers on the ground of any malpractice and when no objection is raised before the Retu-rning Officer alleging election malpractices, it is to be held that no valid ground for recoun-ting of votes has been made out at the trial.”
 
In the case of Abdul Motaleb Vs. Md. Mostaque Ali and others reported in 19 BLD (AD) page 156 their Lordships have further observed:
“Election Tribunal in the interest of justice may recount ballot papers for proper resolution of an election dispute. But in order to make out a case for recounting the person who challenges the counting has to prove that at the time of counting of votes by the Presiding officer a contesting candidates or his election agent upon raising specific objection specifically requested the Presiding officer to recount the ballot papers and the same was improperly refused or was not done in accordance with law.

Before opening the election materials for recounting of ballot papers the Election Tribunal is to satisfy itself positively that those materials have been preserved by the proper authority in accordance with law and the same has also been found intact under proper seal and cover so that no reasonable suspicion can be raised by the interested candidate of any post election tampering with ballot papers or other relevant election materials.”

The secrecy of the ballot is sacrosanct and shall not be permitted to be violated lightly and merely for asking for on vague and indefinite allegations or averments of general nature. At the same time purity of election process has to be preserved and therefore inspection and recount shall be permitted but only a case being properly made out in that regard. A particular seeking inspection and recount of ballot papers must contain averments which are adequate, clear and specific making a case of improper acceptance or rejection of votes or non-com-pliance with statutory provision in counting.  Vage and general allegation that valid votes were improperly rejected, or invalid votes were improperly accepted would not serve the purpose. The election petitioner must produce transworthy material in support of the allegations made for a re-count enabling the Court to record a satisfaction of a prima-facie case having been made out for grant of the prayer. The court must come to the conclu-sion that it was necessary and imperative to grant the prayer for inspection to do full justice between the parties so as to completely and effectually adjudicate upon the dispute. The power to direct inspection and re-count shall not be exercised by the court to show ind-ulgence to a petitioner who was indulging in a roving enquiry with a view to fish out materials in the hope that the recount if allowed may probably twist the balance of votes in his favour. Aforesaid views have been expressed by the Supreme Court of India in the case of V.S. Achuthanda Vs. P.J. Francis and another reported in AIR 2001 SC page 837. The object of giving particulars of corrupt practices is that the  election petitioner should not be allowed to fish out some possible material at a subsequent stage and the other side should be aware of the case which he has to meet.
 
We have found that there were total 18 pulling stations to cast votes in the election. In election petition the respondent No.7, inter alia, stated : ‘‘এইরুপ বে-আইনী কার্য্যদি করিয়া সকল  কেন্দ্রেই হইয়া থাকিলে ও নিম্মলিখিত  ভোট  কেন্দ্রে গুলোতে বিশেষ ভাবে উক্তরুপ অন্যায় ও বে-আইনী কার্যাদি হইয়াছে।’’  Accordingly he mentioned the names of 11 Polling Stations, that is, the respondent No.7 himself left his allegations against counting of votes in 7 Polling Stations. Those are 1) Jhal-ukathi Government College, West Chandkathi, 2) Bekona Government Primary School, Bekona, 3) Jhalukathi Government Boys High School, 4) Kutubnagar Government Primary School, 5) Zilla Parishad Bhaban, Krishna-kathi, 6) Poura Adorshya Government Primary School and 7) Syadunnessa Government Primary school Polling Centres.   Leaving the allegation of improper counting in respect of those 7 Polling Centres, the respondent No.7 cannot demand recounting of votes of those Centres.

In the case of Abdul Latif Bepari Vs. Md. Nurul Islam Howlader reported in 20 BLD (AD) page 264 their Lordships of the Appellate Division have observed that recounting is not to be granted as a matter of course. It is only to be allowed when the tribunal is satisfied on the basis of evidence before it that recounting is indispensably necessary for complete and effectual justice. Similar views have been expressed by their Lordships in the case Ansaruddin Ahmed Vs. Senior Assistant Judge and Election Tribunal reported in 14 BLD (AD) 77 observing that the Election Tribunal has power to order for recounting of the ballots when it finds that there exists a factual  foundations for the same and it is necessary for a proper decision in the case. In the case in hand, the Election Tribunal has, inter alia, observed :

‘‘উক্ত মামলার রায় অনুধাবন করতঃ অত্র ট্রাইব্যুনাল মনে করেন যে, অত্র নির্বাচনী দরখাস্তেপ্রার্থী পক্ষ সুনির্দিষ্টভাবে ঝালকাঠি  পৌরসভা নির্বচানে ২০১১ এর ১৮টি  ভোট  কেন্দ্রে  মেয়র পদে  ভোট গণনায়  কারচুপি  করা হইয়াছে , প্রার্থীর  ‘‘জাহাজ মার্কা’’ প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট বাতিল  ভোটের  সাথে এবং ১নং প্রতিপক্ষের ‘‘আনারস’’ প্রতীকের সহিত মিলাইয়া গণনা করা হইয়াছে, নির্বাচনী কার্যে জড়িত সরকারী কর্মকর্তা- কর্মচারীর মাধ্যমে  ভোট জালিয়াতি করা হইয়াছে, ইস্যুকৃত ব্যালট  পেপারে চাইতে ভোট গণনা কালে ব্যালট পেপারের সংখ্যা অধিক হইয়াছে, ১নং প্রতিপক্ষের প্রাপ্ত  ভোটের চাইতে  বেশী ভোট দেখানো  হইয়াছে মর্মে অভিযোগ আনয়ন করিয়া এবং তৎমর্মে সাক্ষ্য প্রদান করিয়া নালিশী পৌর নির্বাচনে ব্যালট  পেপার, মুড়িপত্র পরিদর্শন এবং  মেয়র পদে প্রদত্ত  ভোট পূনঃ গণনার বিষয়ে অত্র ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আদেশ প্রচারের যথাযথ ভিত্তি সৃষ্টি করিয়াছেন।’’

Now, let us see whether the finding of the Tribunal to the effect:  ‘‘ভোট পূণঃ গণনার বিষয়ে অত্র ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আদেশ প্রচারের যথাযথ ভিত্তি সৃষ্টি করিয়াছেন।’’ is based on evidence and other materials on record or not. Earlier we have quoted the relevant portion of the election petition and the application for recounting of ballot papers. Where the election petitioners seeks to prove charge purely partisan  evidence consisting of his workers, agents, supporters and friends, the court would have to approach the evidence with great care and cautious  scrutiny and circumspection.  Now let us see the evidence of the respondent No.7, the election petitioner.

In support of his case the election petitioner examined 10 witnesses out of them witness No. 1 is the election petitioner himself. In his evidence  he,  inter alia, said:  ‘‘নির্বাচনে সঠিকভাবে ভোট গণনা করা হয় নাই। ------ নির্বাচনে ব্যবহৃত ব্যালক পূণঃ গণনা করা হইলে আমার দাবী প্রমানিত হবে।’’

Ptr. W. 2 Md. Monirul Islam son of the election petitioner Liakat Ali, who was the chief election agent. He brought allegation in respect of J.B.I. Ishanil Polling Centre. He, inter alia, said:‘‘ভোট গণনা সঠিক হয় নাই এবং ভোটারদের প্রদত্ত ভোট  মোতাবেক ফলাফল প্রস্তুত হয় নাই। ’’ In cross examination he said,‘‘নির্বাচনের সময় এস.পি. ও র‌্যাব ছিল। নির্বাচনে উপযুক্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য ছিল। কোন  কোন এজেন্টকে  কেন্দ্র হতে  বের করে  দেওয়া হয়েছে তা জানি না। ’’ 

Ptr. W. 3 Kochi Begum was a polling agent of the election petitioner at Syed Halima Moazzem Mir School Polling Centre. In her cross examination she said “গণনাকালে জাহাজ মার্কার  ব্যালট  বেশী ছিল। কিন্ত জাহাজ মার্কার ব্যালট অন্য ব্যালটের সাথে মিশানো হলে আমি বাধা দেই। তখন আমাকে বের করে  দেয়।’’

In cross examination she has said, ‘‘আমি শেষ পর্যন্ত  ছিলাম না।’’ ---- আমি ৮.৩০ টায়  ভোট  কেন্দ্রে ঢুকেছি। অনুমান ৩.৩০ টায় বের হয়েছি।’’ That is, before concluding the votes she left the polling centre.

Ptr. W.4  Morsheda Akter Ripa was  polling agent  of the election petitioner at City Kinder Garten Polling centre. In her evidence  she said, ‘‘উক্ত  কেন্দ্রে সঠিকভাবে  ভোট গণনা হয় নাই। জাহাজ মার্কায় সবচেয়ে বেশী ভোট পায়।’’ In cross examination she said- ‘‘আমাকে ৩/৩.৩০ টায়  ভোট  কেন্দ্র  থেকে  বের করে দিয়েছে। ---- লিয়াকত আলী তালুকদার আমাকে সাক্ষ্য দিতে বলেছে। ’’

Ptr. W.5 Md. Jamal Hossain Howlader, in his cross examination, has said, “আমি ভোট গণনার সময় ছিলাম না। ’’

Ptr.W. 6 Al-Masum was a polling agent of the election petitioner at Kutubnagar Primary School polling centre. In his evidence he  has said  “ প্রথম গণনা সঠিক  চলছিল  পরে ঠিক হয় নাই। ------- সত্য যে, কুতুব নগর কেন্দ্রে  লিয়াকত তালুকদার  সবের্বাচচ  ভোট পেয়েছে।’’  It is to be mentioned  here that the petitioner did not bring any  specific allegation of improper counting of ballots of Kutubnagar primary School Polling Centre.

Ptr.W. 7 Enayet Hossain was agent of the election petitioner at Ishanil Polling centre. In his evidence he has said:   ‘‘আমি  ভয়  পেয়ে দুইটার সময় কেন্দ্র থেকে চলে যাই।’’ In his cross examination he said that :“
 ----- কখন ভোট গ্রহন শুরু ও  শেষ হয়েছে তা জানি না।’’

Ptr.W. 8 Md. Jamal Hossain was a polling agent of the election petitioner at Bikana Polling Centre.  In his cross examination he said : “ কয়টায় গণনা শুরু ও  শেষ হযেছে তা বলতে পারবো না। ভোট গণনার শেষ পর্যন্ত ছিলাম না ।’’   In  election petition the respondent No.7 did not bring any specific  allegation in respect of  improper counting of ballots of Bikana Primary School Centre.

Ptr.W. 9 Md. Alamgir Hossain Khan was a polling agent of Abu Zahid at Kutubpur Primary School Polling Centre. In his evidence he has said, “আমি ভোট গণনা কালে কেন্দ্রে থাকতে পারি নাই।’’ There is no specific allegation in the petition in respect of improper counting of votes at Kutubnagar School Centre in election petition.

Ptr.W. 10 Md. Sohag Howlader supporter of the election petitioner and voter of Ward No. 3  of the Zilla Parishad Polling centre. In his cross examination he has said, ুআমি  ভোট গণনার সময় ছিলাম না। ’’ He has said about Zilla Parishad Polling Centre but in election petition the respondent No.7 left the allegation of improper counting of said centre.

None of the witnesses deposed a single word regarding improper counting of votes in respect of rest 12 polling Centres. In absence of any evidence regarding improper counting votes it is difficult to accept the finding of the tribunal that the factual foundation for inspec-tion and recounting has been established satis-factory. The evidence should be realistically and pragmatically viewed avoiding mere doct-rinaire approach.

It has been consistent practice of this court not to interfere with the findings on question of facts unless there is some grave or palpable error in the application of evidence on the basis of which the findings were arrived.

In the instant case the allegation in the election petition and application for recounting are vague and those do not contain adequate statements of the material facts. In the case of Ram Sewak Yadav and others Vs. Hussain Kamal Kedwai and others (AIR 1964 S.C.R. 239) Supreme Court of India held that an order for inspection would not be granted as a matter of course. That having regard to the insistence  upon the secrecy of the ballot papers, the court would not be justified in granting an order for inspection only where the petition for setting aside an election contains an adequate state-ment of facts on which the petitioner relies in support of his case and it is necessary to decide the dispute and to do complete justice between the parties.  An order for inspection of ballot papers would not be granted to support vague pleas made in the petition not reported by material facts or to fish out evidence to support such pleas.   Mere allegation that the petitioner suspects or believes that there has been an improper reception, refusal or rejection of votes will not be sufficient to support an order for inspection. In the case of Rajnarayon Vs. Indira Nehru Gandi  reported in AIR 1972 S.C. 1302  it has been observed that an election petition shall set fourth  full particulars of any corrupt practice that the petitioner alleges, including as full or statements as possible of the names of that parties alleged to have committed such corrupt practice and the date and place of the commission of each such practice.

In the case  of Suresh Prasad Yadav Vs. Jai Prakash Mishra and others reported in AIR 1975 S.C. 376 Indian Supreme Court further held: “The Court would be justified in ordering a recount of the ballot papers only where:
(i)   the election petition contains an adequate statement of all the materials facts on which the allegations of irregularity or illegality in counting are founded;
(ii)  On the basis of evidence adduced such allegation are prima-facie established, affo-rding a good for believing that there has been a mistake in counting; and
(iii) That Court trying the petition is prima-facie satisfied that the making of such an order is imperatively necessary to decide the dispute and to do complete and effectual justice between the parties. 

In absence of any specification with regard to the ground on which the election of the respondent is being questioned together with summary of the circumstances alleged to justify the election being questioned on such ground. Court can safely ignore to take notice of allegation which is couched in vague and nebulous manner.

Mr. Aminul Hoque, the learned Counsel for the respondent No. 7 relied on the case of Dr. Mohiuddin Khan Alamgir Vs.  Government of Bangladesh reported in 62 DLR (AD) 425. In the cited case their Lordships have observed:
“In the case of AFM Shah Alam Vs. Mujibul Huq reported in 41 DLR (AD) 68 it was held that in election matters the jurisdiction of the High Court Division cannot be invoked under Article 102 of the Constitution except on a very limited ground of total absence of jurisdiction (coram non-judice) or malice in law for the purpose of interfering with any step in the election process, like, in that case, acceptance of nomination paper. It the present case it is against rejection of nomination paper. No case of coram non-judice or malice in law has been made out so as to attract the jurisdi-ction of the High Court Division under Article 102 of the Constitution.
 
Whether the writ petition is maint-ainable against any step in the election process stands well  settled in view of the decision reported in the case of AFM Shah Alam Vs. Mujibul Huq reported in 41 DLR (AD) 68, in the case of  Mahmudul Hoque (Md.) Vs. Md. Hedayetullah reported in 48 DLR (AD) 128 and in the case of AKM Moyeedul Islam Vs Bangladesh Election Commission reported in 48 DLR (AD) 208. It is well settled that writ petition under Article 102 is not maintainable against any step in the process of election like acceptance or  rejection of nomination paper of a candidate.” 

We have no disagreement with the observation of their Lordships of the Appellate Division.  In all those cases the dispute arose regarding acceptance or rejection of nomi-nation paper. But in the instant case the allegation has been brought against the decision of the tribunal regarding recounting of the ballot papers. The issues decided by their Lordships in the cited cases and in the present case is distinguishable. The ratio  decidendi of the cited cases has got any manner of application  in the present case.

Prayer for recount in term of Rule 39 (2) of the Local Government (Municipality) Election Rules, 2010 was not made by or on behalf of any of the contesting candidates including the respondent No.7 before the Presiding Officer of any of Polling Station which they would ordinarily have made if there was any truth in the pleas  canvassed by the respondent No.7 in his election petition and application for recounting.

On consideration of the pleading, application for recounting the ballot papers and evidence adduced by the respondent No.7 it appears to us that allegation of improper counting of ballot papers and charges of corrupt practice  which are quashi criminal in nature have not been established in the instant case. The allegations brought by the respondent No.7 are  not specific and clear rather those are indefinite and vague. The evidence adduced by the respondent No.7 are unreliable. No definite particulars have been given in the application for inspection as to the illegalities, irregul-arities or improper counting of votes. A recount will not be granted as a matter of right but only on the basis of evidence of good grounds for believing that there has been a mistake in counting.  The reasons are that such an order affects the secrecy of ballots which is under the law is not to be lightly disturbed. The secrecy of ballot is sacrosanct and shall not be permitted to be violated and merely for asking or on vague and indefinite allegations or averments of general nature.  Our view is that the averments made in the petition and the material brought on record by the respondent No.7 did not make out a case of recount. The allegations of irregularity or improper counting of ballots have not been pleaded  adequately and specifically  and the evidence adduced by the election petitioner regarding  improper counting of ballots each of the Polling Centres   are insufficient  and the allegations are not at all proved. Both the Tribunals acted unlawfully in passing the order of inspection and recounting the ballot papers inasmuch as the respondent No.7 failed to establish the factual foundation of it by adducing sufficient evidence bringing specific allegation of improper counting of each of the Polling Centres. 

In view of the facts and circumstances of the case we find substance in the Rule.

In the result, the Rule is made absolute. The judgment and order dated 29.11.2011 passed by the Appellate Tribunal, Jhalukathi in Election Appeal No. 06 of 2011 affirming the order dated 01.11.2011 passed by the Electron Tribunal. Jhalukathi in Election Case No. 05 of 2011 are hereby declared to have been made without lawful authority and are of no legal effect and both the orders are set aside.

Ed.