Mohammad Shahjahan Vs. Bangladesh and others, 3 LNJ (2014) 194

Case No: Writ Petition No. 12257 of 2012

Judge: M. Moazzam Husain,

Court: High Court Division,,

Advocate: Mr. Motahar Hossain,Mr. Md. Idrisur Rahman,Mr. Tufailur Rahman ,Mr.Abdullah Al Baki,,

Citation: 3 LNJ (2014) 194

Case Year: 2014

Appellant: Mohammad Shahjahan

Respondent: Bangladesh and others

Subject: Local Government,

Delivery Date: 2013-11-20


HIGH COURT DIVISION
(SPECIAL ORIGINAL JURISDICTION)
 
M. Moazzam Husain, J.
And
Md. Badruzzaman, J

Judgment on
20.11.2013
}
}
}
}
}
Mohammad Shahjahan
... Petitioner
-Versus-
Government of Bangladesh and others
.. Respondents.
 
Local Government (Union Parishad) Act, (LXI of 2009)
Sections 34, 39 (13)
When no-confidence motion is brought against a chairman/member of a Union Parishad, the duty of the Government is only to give approval or non-approval of the motion; ordering temporary suspension runs contrary to law.
Although section 39 does not say anything of the government’s power beyond approval or no-approval it is fairly deducible from the scheme of law contained in sections 34 and 39 that once approval is given to the no-confidence motion by the government the office of the outvoted chairman/member stands vacated. What is left thereafter for the government is to formally remove the concerned chairman /member from office by an order published in the official gazette. . . 11
In the result, the impugned Memo of temporary suspension is declared void and ineffective and the Respondent No.1 is directed to pass appropriate orders as required by section 39(13) of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009, on the no-confidence motion received by it and dispose of the matter in accordance with law within thirty days from date of receipt of this judgment. . . . 19
 
Mr. Md. Idrisur Rahman, Advocate
. . . For the petitioner

Mr. Tufailur Rahman with
Mr.Abdullah Al Baki, Advocate
…For the Respondent No. 6

Mr. Motahar Hossain, D.A.G
….For the Respondent No.1.

Writ Petition No. 12257 of 2012
 
JUDGMENT
M. Moazzam Husain, J:
 
This Rule was issued calling in question an order vide Memo No. সহাসবি/ইউপি-৩৪/৭০/ ০৭ (অংশ-২) /৫১০ dated 30.08.2012 issued by the Respondent No.1  under the signature of Respondent No.2 whereby this petitioner, a Union Parishad Chairman,  was placed under temporary suspension following a no-confidence motion  passed against him on the charge specially of corruption.

Facts, in brief, are that the petitioner is the Chairman, Borikandi Union Parishad, Nabinagar, Brahmonbaria, elected for a term from 2011 to 2015. He took over office as chairman following publication of the list of elected chairmen/members of Union Parishads in the official gazette on 19.06.2011. While he was functioning as such all the twelve members of the Union Parishad brought a no-confidence motion against him on allegations of gross misconduct including misapprop-riation of public fund by abuse of office.  The no-confidence motion was addressed to the local Upazila Nirbahi Officer, (hereinafter referred to as the “UNO”) as per law. The UNO having received the same by his Memo No. 182 dated 04.03.2012 appointed a one-member inquiry committee comprising of Upazilla Livestock Officer to inquire into the matter and submit report. The inquiry officer accordingly issued a notice (Annex-C) on 11.03.2012 along with a copy of the said no-confidence motion asking the petitioner to show cause within 22.03.2012. Having received the show-cause notice the petitioner submitted in writing a reply (Annex-D) on 22.03.2012 denying all the allegations made therein.

The inquiry officer, however, was not satisfied with the reply submitted by this petitioner. He addressed the Chairman another notice on 22.3.2012 (Annex-E) saying that the reply given by him was not satisfactory and asked him to be present at the venue of local-inquiry (mentioned therein) to be held on dates fixed with preparations to meet charges against him. The local inquiry was accordingly held on the dates fixed. On inquiry a number of allegations were found proved. Thereafter, a meeting of the Parishad was held on 16.5.2012 in which the no-confidence motion was put to vote. And all the twelve members of the Parishad voted in favour of the motion thus the motion was finally carried through against the petitioner by 12/1 votes.

The inquiry officer by his office Memo dated 23.5.2012 submitted the report to the Respondent No.4 (UNO) who in his turn forwarded the report to the Respondent No.3 (DC, Brahmonbaria).  The Deputy Commissioner, by his office Memo dated 05.7.2012 forwarded the report to the Respondent No.1 with his opinion that allegations of corruption and misconduct under section 34(kha) and (gha) were found proved against the chairman and he was removable from his office. The Government having received the papers connected with no-confidence motion issued the order placing the chairman under temporary suspension under the signature of a Deputy Secretary (LGRD) which is under challenge before us. 

Mr. Idrisur Rahman, learned Advocate, appearing for the petitioner submits that the Government has no authority to suspend the petitioner under section 34(4) of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009. He did not, however, explain how the Government is so powerless and how the petitioner would have been benefited by other orders that might be passed against him. He next submits that in issuing the impugned order of suspension the authority violated the principle of natural justice inasmuch as he was not allowed right to defense enough for the gravity of the allegations.  His final contention is that the impugned order is tainted with mala fide issued at the behest of quarters inimically disposed to the petitioner. We have closely examined the records. We find nothing therein which might be construed to mean that the petitioner has been deprived of his right to be heard. Rather the records show otherwise. Two show-cause notices were issued to the petitioner on two phases of inquiry and the petitioner, amongst other things, responded the queries by submitting written-reply. More so, he did  never raise objections to the inquiry process. So far as mala fide is concerned, it is not a case merely to be made but must of necessity be made out which is sadly lacking.

Here is a case in which a Chairman of a Union Parishad has been placed under temporary suspension by the Government following a no-confidence motion passed against him and he is still moving under the shadow of his office with his designation as ‘chairman under temporary suspension’.

Reverting back to law, it appears that section 34 and 39 of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009, provide for procedures to be followed for removal of chairman/members of Union Parishad through disciplinary proceedings and possible actions to be taken during and at the conclusion of the proceedings. 
 
Section 34 of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009 reads as follows:

“ (১)  যে ক্ষেত্রে কোন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সদস্যের বিরুদ্ধে উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত অপরাধে অপসারণের জন্য কার্যক্রম আরম্ভ করা হইয়াছে অথবা তাহার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় অভিযোগপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হইয়াছে অথবা অপরাধ আদালত কর্তৃক আমলে নেওয়া হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের মতে চেয়ারম্যান অথবা সদস্য কর্তৃক ক্ষমতা প্রয়োগ পরিষদের স্বার্থের পরিপন্থী অথবা প্রশাসানিক দৃষ্টিকোণে সমীচীন না হইলে, সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে চেয়ারম্যান অথবা সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করিতে পারিবে।
(২)   উপ-ধারা (১) এর অধীনে সাময়িকভাবে বরখাস্তের আদেশ প্রদান করা হইলে আদেশ প্রাপ্তির ৩ (তিন) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ধারা ৩৩ এর বিধানমতে নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যানের নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করিবেন এবং উক্ত প্যানেল চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনীত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত অথবা চেয়ারম্যান অপসারিত হইলে তাহার স্থলে নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩)   উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরিষদের কোন সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের আদেশ প্রদান করা হইলে উক্ত সদস্যের বিরুদ্ধে আনীত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সদস্য অপসারিত হইলে তাহার স্থলে নতুন সদস্য নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে অপর একজন সদস্য উক্ত দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৪)   চেয়ারম্যান বা সদস্য তাহার স্বীয় পদ হইতে অপসারণযোগ্য হইবেন, যদি, তিনি-
(ক) যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে পরিষদের পর পর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকেন;
(খ) পরিষদ বা রাষ্ট্রের স্বার্থের হানিকর কোন কার্যকলাপে জড়িত থাকেন, অথবা দুর্নীতি বা অসদাচরণ বা নৈতিক স্খলনজনিত কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া দন্ডপ্রাপ্ত হইয়া থাকেন;
(গ) তাহার দায়িত্ব পালন করিতে অস্বীকার করেন অথবা শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন;
(ঘ) অসদাচরণ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের দোষে দোষী হন অথবা পরিষদের কোন অর্থ বা সম্পত্তির কোন ক্ষতি সাধন বা উহার আত্মসাতের বা অপপ্রয়োগের জন্য দায়ী হন;
(ঙ) এই আইনের ধারা ২৬ (২) অনুযায়ী নির্বাচনের অযোগ্য ছিলেন বলিয়া নির্বাচনের পর যদি প্রমাণিত হয়;
(চ) বার্ষিক ১২ (বার) টি মাসিক সভার স্থলে নূন্যতম ৯ (নয়) টি সভা গ্রহণযোগ্য কারণ ব্যতীত অনুষ্ঠান করিতে ব্যর্থ হন;
(ছ) নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল না করেন কিংবা দাখিলকৃত হিসাবে অসত্য তথ্য প্রদান করেন; অথবা
(জ) বিনা অনুমতিতে দেশ ত্যাগ করেন অথবা অনুমতিক্রমে দেশ ত্যাগের পর সেখানে অননুমোদিতভাবে অবস্থান করেন।
ব্যাখ্যাঃ এই উপ-ধারায় ‘অসদাচরণ’ বলিতে ক্ষমতার অপব্যাবহার, কর্তব্যে অবহেলা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ইচ্ছাকৃত কুশাসনও বুঝাইবে।
(৫) সরকার বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ, সরকারি গেজেটে আদেশ দ্বারা, উপ-ধারা (৪) এ উল্লিখিত এক বা একাধিক কারণে চেয়ারম্যান বা সদস্যকে অপসারণ করিতে পারিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অপসারণের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করিবার পূর্বে বিধি মোতাবেক তদন্ত করিতে হইবে ও অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হইবে।
(৬)   কোন চেয়ারম্যান বা সদস্য এর অপসারণের প্রস্তাব, সরকার বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদন লাভের পর তিনি তাৎক্ষণিভাবে অপসারিত হইবেন।
(৭)  পরিষদের কোন চেয়ারম্যান বা সদস্যকে উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী তাহার পদ হইতে অপসারণ করা হইলে তিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের নিকট উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল করিতে পারিবেন এবং আপিল কর্তৃপক্ষ উক্ত আপিলটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অপসারণ আদেশটি স্থগিত রাখিতে পারিবেন এবং আপিলকারীকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দানের পর উক্ত আদেশটি পরিবর্তন, বাতিল বা বহাল রাখিতে পারিবেন।
(৮)   আপিল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উপ-ধারা (৭) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
(৯)   এই আইনের অন্যান্য বিধানে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই ধারা অনুযায়ী অপসারিত কোন ব্যক্তি কোন পদে সংশ্লিষ্ট পরিষদের কার্যকালের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না।”
 
Section 39 of the Act reads as follows:

“(১) এই ধারার বিধান সাপেক্ষে পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য বা পরিষদের উপর সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করা যাইবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অনাস্থা প্রস্তাব পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের স্বাক্ষরে লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট পরিষদের যে কোন একজন সদস্য ব্যক্তিগতভাবে দাখিল করিবেন।
(৩) অনাস্থা প্রস্তাব প্রাপ্তির পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ করিবেন এবং উক্ত কর্মকর্তা অভিযোগসমূহের বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য ১০ (দশ) কার্যদিবসের সময় প্রদান করিয়া অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বা সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ নিবেন।
(৪) জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হইলে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা জবাব প্রাপ্তির অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে অনাস্থা প্রস্তাবে যে সকল অভিযোগের বর্ণনা করা হয়েছে, সে সকল অভিযোগ তদন্ত করিবেন।
(৫) তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হইলে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা অনধিক ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান বা সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকল নির্বাচিত সদস্যের নিকট সভার নোটিশ প্রেরণ নিশ্চিতকরণপূর্বক পরিষদের বিশেষ সভা আহবান করিবেন।
(৬) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে প্যানেল চেয়ারম্যান (ক্রমানুসারে) এবং কোন সদস্যের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে পরিষদের চেয়ারম্যান সভায় সভাপতিত্ব করিবেনঃ
তবে শর্ত থাকে যে, চেয়ারম্যান বা প্যানেল চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে উপস্থিত সদস্যগণের মধ্যে একজন সদস্যকে ঐক্যমতের ভিত্তিতে সভাপতি নির্বাচিত করা যাইবে।
(৭) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা সভায় একজন পর্যবেক্ষক হিসাবে উপস্থিত থাকিবেন।
(৮) উপ-ধারা (১) এর উদ্দেশ্যে আহুত সভাটি নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কোন কারণ ছাড়া স্থগিত করা যাইবে না এবং মোট নির্বাচিত সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য সমন্বয়ে সভার কোরাম গঠিত হইবে।
(৯) সভা শুরু হইবার তিন ঘন্টার মধ্যে উন্মক্ত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব না হইলে অনাস্থা প্রস্তাবটির উপর গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করিতে হইবে।
(১০) সভার সভাপতি অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে কোন প্রকাশ্য মতামত প্রকাশ করিবেন না তবে তিনি ব্যালটের মাধ্যমে উপ-ধারা (৯) অনুযায়ী ভোট প্রদান করিতে পারিবেন কিন্তু তিনি নির্ণায়ক বা দ্বিতীয় ভোট দিতে পারিবেন না।
(১১) অনাস্থা প্রস্তাবটি কমপক্ষে ৯ (নয়) জন সদস্য কর্তৃক ভোটে গৃহীত হইতে হইবে।
(১২) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী নিযুক্ত কর্মকর্তা সভা শেষ হইবার পর অনাস্থা প্রস্তাবের কপি, ব্যালট পেপার, ভোটের ফলাফলসহ সভার কার্যবিবরণী প্রস্তুত করিয়া আনুষঙ্গিক কাগজপত্রসহ সরকারের নিকট প্রেরণ করিবেন।
(১৩) সরকার, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, অনাস্থা প্রস্তাব অনুমোদন অথবা অননুমোদন করিবে।
(১৪) অনাস্থা প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোটে গৃহীত না হইলে অথবা কোরামের অভাবে সভা অনুষ্ঠিত না হইলে উক্ত তারিখের পর ৬ (ছয়) মাস অতিক্রান্ত না হইলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান বা সদস্যের বিরুদ্ধে অনুরূপ কোন অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করা যাইবে না।
(১৫) পরিষদের চেয়ারম্যান বা কোন সদস্যের দায়িত্বভার গ্রহণের ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে তাহার ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে তাহার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করা যাইবে না|”

A plain reading of the provisions of law laid down in the above two sections suggests that between the two, section 34 is more comprehensive and provides a self-contained scheme of disciplinary actions against chairman/member(s) of  Union Parishad including initiation of proceedings on grounds specified therein, temporary suspension during proceedings, forwarding  proposal for removal, approval or no-approval of the proposal by the government, and finally privilege of appeal against order of removal, if any, published in the official gazette.

Likewise procedure laid down under section 39 also leads to removal of the chairman/member(s) from office, but by democratic process. Under this section provisions are laid providing removal through no-confidence motion passed by a certain number of Members in Parishad. Section 39 provides how to bring no-confidence motion on specific allegations; procedure of inquiry; motion put to vote in Parishad and finally forwarding the same to the government for approval, if passed by requisite number of votes. Law, however, empowers Government to accord or not to accord approval to the no-confidence motion sent to it.  Although section 39 does not say anything of the government’s power beyond approval or no-approval it is fairly deducible from the scheme of law contained in sections 34 and 39 that once approval is given to the no-confidence motion by the government the office of the outvoted chairman/member stands vacated. What is left thereafter for the government is to formally remove the concerned chairman/member from office by an order published in the official gazette.

In the scheme of sections 34 and 39 there is no scope for a chairman or member removed from office pursuant to proceedings under section 39 to seek relief in appeal. The appellate forum created under sub-section (7) of section 34, is exclusively meant for chairman/member against whom proceedings under section 34 is taken and is removed by order published in the official gazette as required under sub-section (5) of section 34.

Section 34(1) provides for power to place an indicted chairman/member under ‘temporary suspension’ during pendency of the proceedings, not after conclusion of proceedings. Suspension literally means- ‘the act of debarring for a time from a function or privilege’. It means temporary deprivation of one’s office or position. The suspended officer does not cease to be public servant; he is only prevented from discharging the duties of his office for the time being. A concluded proceeding logically and indeed is followed by a final order, ie, either order of discharge or any order awarding suitable punishment.

This was a case for the government either to approve or not to approve the no-confidence motion sent by the inquiry officer through the Deputy Commissioner and, if approved, to remove the chairman by an order published in official gazette. Nothing of the kind was done. The government instead, placed the chairman under temporary suspension which is plainly incompatible with the stage of the proceedings and is grossly perverse.

The impugned order of temporary suspension has left an otherwise decided matter totally undecided. The issue might have been settled once for all by way of approval or no-approval to the no-confidence motion.  But things were set to linger years together by an apparently wrong order passed for reasons yet not known.

Mr. Motahar Hossain, learned DAG, submits that the petitioner was removed from his office by vote of no-confidence on specific charges of corruption and the motion was passed by 12/1 votes that means by all the members of his Parishad. Such a chairman, he insisted, should not be re-instated in office on mere technical defect in the order.   Mr. Tufailur Rahman, learned Advocate, appearing for added Respondent No.6, found it difficult to defend the order of temporary suspension in the peculiar facts but adopted the argument of the DAG that it is in the public interest that the petitioner should not be restored to office.

The allegations are grave. But the   gravity of offence cannot justify an order not only defiant of law but also deterrent to progress of democratic practices sought to be established by the legislature. The order of temporary suspensions passed where it is plainly unwarranted by law whereas not explicable upon any proposition of innocence smacks of malice. The order, in the sense, is vitiated by malice in law.  It seems to us to be an eminently fit case where interference is called for.

To sum up:
  1. Sections 34 and 39 of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009, provide for two separate but parallel procedures for removal of chairman or member(s) of the Union Parishad. Either of the proceedings may be resorted to for the purpose.
  2. Since Parshad is a democratic institution ordinarily no-confidence proceedings should get preference over ordinary disciplinary proceedings so that democratic values can take roots at all levels of the society.
  3. Although the office of the indicted chairman/member stands vacated with approval given by the government to the no-confidence motion the vacancy should be given formal shape by an order of removal published in official gazette. This will, however, not entitle the chairman/member removed under section 39 to the right of appeal provided under sub-section (7) of section 34.
  4. The chairman/member against whom no-confidence proceedings is initiated as per section 39 cannot be deprived of his/her right to vote on ‘no-confidence motion’. 
For what we have stated hereinabove, we find merit in this rule. At the same time, we do not think that relief can be given absolutely in terms of the rule without frustrating the result of otherwise valid proceedings. Fitness of things, therefore, requires that the impugned order of temporary suspension be declared void and the case be sent back to Respondent No.1 with necessary directions to cure the defects.

In the result, the impugned Memo of temporary suspension is declared void and ineffective and the Respondent No.1 is directed to pass appropriate orders as required by section 39(13) of the Local Government (Union Parishad) Act, 2009, on the no-confidence motion received by it and dispose of the matter in accordance with law within thirty days from date of receipt of this judgment. 

This rule is thus disposed of with the aforesaid direction. No order as to cost.

Order of stay granted earlier is hereby vacated.

        Communicate copies of this judgment at once.

        Ed.